Vedvani 71 & 72 (P-I)

ভগবৎ চিন্তা – ১/৭১ বেদবাণী। ” জীবগণ অনর্থক আশঙ্কার অধীনে যাইয়া চিন্তার  তরঙ্গে কষ্ট পায়। সংসারে যতই অভাব ততই শান্তি পরিণামে উদয় হয়। যাহাতে সমস্ত ভার ভগবৎপদে ন্যস্ত করিতে পারা যায় তাহাই করিবেন। উপস্থিত সংসারের কর্ম্ম যথাসাধ্য শেষ করিতে চেষ্টা করিবেন। অন্য কোন চিন্তা না করিয়া যখন যেমন ভাবে পারিবেন ভগবৎ চিন্তা করিবেন। অহঙ্কার বশতঃ

Vedvani 69 & 70 (P-I)

প্রারব্ধ ভোগ কাটানো – ১/৬৯ বেদবাণী। ” ভগবানের উপর সকল ভার দিয়া কার্য্য করিয়া যাইবেন, প্রারব্ধ ভোগ কেটে যাবে।” ১/৬৯ বেদবাণী। শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর। উপরোক্ত শ্রী শ্রী রাম ঠাকুরের বাণীর গুঢ় অর্থ  নিম্নে প্রদত্ত হলঃ- এখানে শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর আমাদের সকলের উদ্দেশ্যে বলছেন যে আমরা যেন ভগবানের উপর সম্পূর্ণ নির্ভর করি; অর্থাৎ শ্রী

Vedvani 67 & 68 (P-I)

আলস্য করিয়া হেলা করিতে নাই – ১/৬৭ বেদবাণী। ” আলস্য করিয়া হেলা করিতে নাই।” – ১/৬৭ বেদবাণী।   শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর। উপরোক্ত  শ্রী শ্রী রাম ঠাকুরের উপদেশ বাণীর একটি মাত্র বাক্যের মমার্থ নিম্নে বর্ণিত হল:- আমরা শৈশব কালে বাল্য শিক্ষা পাঠে অনেক উপদেশ শ্লোকের মাধ্যমে পেয়েছি। তার মধ্যে একটি শ্লোক অন্যতম৷ যথা – আলস্য দোষের

Vedvani 65 & 66 (P-I)

সংসার বন্ধন থেকে মুক্তির পথ – ১/৬৫ বেদবাণী। ” সংসারের পথ বহুবিধ রকমে বন্ধন মুক্তির কারণ হয়। তন্মধ্যে দুইটি পথ প্রধান, যাহা দ্বারা উদ্ধার হয়। সকলই অনন্য চিন্তার দ্বারা পরিপুষ্ট হইয়া থাকে। প্রথমটি অকর্ত্তা হওয়া চিন্তা ভাবনা বর্জ্জনে যখন যে অবস্থা উপস্থিত তাহার বেগ সহ্য করা। দ্বিতীয়টি সর্ব্বদা ভগবানকে সখ্য, দাস্য, বাৎসল্য কি মধুর ভাবের

Vedvani 63 & 64 (P-I)

পুরুষকারটি পরমশক্তি – ১/৬৩ বেদবাণী। ” পুরুষকারটি পরমশক্তি, তাহাকে অজ্ঞানান্ধ জীব নানাবিধ উপচারে বিভক্ত করিয়া অভাবগ্রস্থ হইয়া পড়ে। তদ্বারা জন্ম মৃত্যু সুখ দুঃখের ফলপ্রাপ্ত লোভের বন্ধন হইতে উদ্ধার পাইতে পারে না বলিয়াই পুনঃ পুনঃ জ্বরা ব্যাধি জন্ম মৃত্যুর কবলে পতিত হয়। সুখের পিপাসায় ষড়রসে মুগ্ধ হইয়া পড়ে, শান্তির জন্য লালায়িত হইয়া কর্ত্তব্য পথ পতিব্রত পতির

Vedvani 61 & 62 (P-I)

পরাত্মিকা বুদ্ধি ১/৬১ বেদবাণী। ” সংসার মারাময়, ভাগ্যবশতঃ জীবের গতাগতি কর্ম্ম  অকর্ম্ম, লাভ হইয়া সুখী দুঃখী হইয়া থাকে। ভগবানের নিত্য সেবার বাসনার আশ্রয়ে জীব ভাবের নিত্যতৃপ্ততা হেতু জন্ম কর্ম্ম সমাপ্ত হইয়া নিত্যমুক্তির আশ্রয় পায়। গুণাদি তারতম্যতা হেতু অভিমানী বশত: কর্ম্মানুগামী হয়। অহংকারাদি সূত্রে পতন হইয়া পরাত্মিকা বুদ্ধির মলিনত্ব হয়, তাহা নিবারণের জন্য ভগবানের স্থল হইতে

Vedvani 59 & 60 (P-I)

কষ্ট নিবারণ করাই জীবের ধর্ম্ম- ১/৫৯ বেদবাণী।  ” যে পর্য্যন্ত দেহ থাকে সেই পর্য্যন্ত কষ্ট নিবারণের জন্যই চেষ্টা করা জীবের ধর্ম্ম। প্রত্যেক শরীরের মধ্যে ভগবান সুখময় বিরাজ করেন, ভ্রান্তিবশতঃই কর্তৃত্বাভিমানী সূত্রে নানা রকম দেখিতে পায়। অতএব যাহাতে অন্তকাল পর্যন্ত কষ্ট না পায় তাহারই চেষ্টা যথাসাধ্য করিতে হয়।” – ১/৫৯ বেদবাণী। শ্রীশ্রী রাম ঠাকুর। উপরোক্ত শ্রী

Vedvani 57 & 58 (P-I)

পতিব্রতা ধর্ম্ম – ১/৫৭ বেদবাণী। ” পতিব্রতা ধর্ম্ম – অনন্যাশ্চিন্তয়ন্তো মাং যে জনাঃ পর্য্যুপাসতে। তেষাং নিত্যাভিযুক্তানাং যোগক্ষেমং বহাম্যহম।। এই যে ভাব ইহা ছাড়া আর কিছুই চায় না, জানে না, অন্য কিছুর দরকার নাই। মহা ঐশ্চর্য্য প্রলোভনের আবাহনকেও তুচ্ছ করে। তাহাকেই পতিব্রতা ধর্ম্ম বলে। গুরু ধ্যানং তথা নিত্যং দেহী ব্রহ্মময়ো ভবেৎ ইত্যাদি। গুরুব্রহ্মা গুরুঃ বিষ্ণু গুরুদ্দেব

Vedvani 55 & 56 (P-I)

অকর্ত্তার কোনই অভাব থাকে না। – ১/৫৫ বেদবাণী। “কর্ত্তা কর্ম্ম হইতে লাভ লোকসান দ্বারা ব্যতিব্যস্ত হয়, তাক অকর্ত্তার কোনই অভাব থাকে না।” – ১/৫৫ বেদবাণী। শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর। উপরোক্ত শ্রী শ্রী রাম ঠাকুরের বাণীর গুঢ় অর্থ  নিম্নে প্রদত্ত হলঃ- ভগবানের নির্দেশ অনুযায়ী এ পৃথিবীতে মানুষের কেবল কর্তৃত্ববিহীন কর্ম্ম করাই বাঞ্ছনীয়। কিন্তু প্রত্যক্ষভাবে দেখা গেছে

Vedvani 53 & 54 (P-I)

আসক্তিই বন্ধন করে। – ১/৫৩ ।বেদবাণী। ” বিবাহ করিলে সংসার বন্ধন হয় না, আসক্তিই বন্ধন করে। ভাগ্যং ফলতি সর্ব্বত্রং, এই শ্রুতি বাক্য। ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শিবাদি সকলেই বিবাহ সংসার পালন করিয়াছেন।” – ১/৫৩ বেদবাণী। শ্রী শ্রী  রাম ঠাকুর। উপরোক্ত শ্রী শ্রী রাম ঠাকুরের বাণীর গুঢ় অর্থ  নিম্নে প্রদত্ত হলঃ- বিবাহ করলে সংসার বন্ধন হয় না। সংসারে