Vedvani 51 & 52(P-I)

প্রারব্ধ বেগ সহ্য করা – ১/৫১ বেদবাণী। ” অকাতরে প্রারব্ধ বেগ সহ্য করিয়া সকল অভাব মুক্ত হইতে চেষ্টা করিবে।” – ১/৫১ বেদবাণী। শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর। উপরোক্ত শ্রী শ্রী রাম ঠাকুরের উপদেশ বাণীর একটি মাত্র বাক্য দ্বারা উপলব্ধির উপর বিশ্লেষণ নিম্নে বর্ণিত হল। এখানে অকাতরে বলতে বোঝায় যে কোন ভাবেই কাতর না হওয়ার আমাদের প্রতি

Vedvani 49 & 50 (P-I)

চিত্ত বিনোদ উদয় – ১/৪৯ বেদবাণী। ” প্রারব্ধ সংসার না হওয়া পর্যন্ত চিত্তবিনোদ উদয় হয় না।  পূর্ব্বাপর মহাশক্তির জীবনীতে সকলই প্রকাশ আছে, চিন্তা নাই।” – ১/৪৯ বেদবাণী। শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর। উপরোক্ত শ্রী শ্রী রাম ঠাকুরের বাণীর গুঢ় অর্থ যা উপলব্ধি করেছি তা নিম্নে প্রদত্ত হলঃ- এখানে প্রারব্ধ = প্রা+র+ ৰূ। প্ৰা বলতে প্রাক্তন ,

Vedvani – 47 & 48(P-I)

ভগবান ত্ৰিজগতে সর্ব্বদাই জাগরণ থাকেন – ১/৪৭ বেদবাণী। ” ভগবান ত্রিজগতে  সর্ব্বদাই জাগরণ থাকেন, তাহার কোন অঙ্গই ত্রিজগৎ ছাড়িয়া থাকে না। কতৃত্বাভিমান প্রকৃতির গুণজাত হইয়া অহংকার দ্বারা তৎপদ লখ্য করিতে পারে না বলিয়াই নানা আশু সুখদায়ক কর্ম্মফল অন্বেষণ করিয়া , হিতাহিত হারাইয়া কর্ত্তব্য ত্রুটিতে পড়ে৷ তজ্জন্যই জগতের চর অচর পদে পড়িয়া যায়। অতএব সর্ব্বদা তৎলক্ষ্য

Vedvani -46 (P-I)

পতিসেবাই পরম পুরুষার্থ – বেদবাণী। “সংসার মায়ামুগ্ধ ভ্রান্তিজনক। এই সংসারে প্রারব্ধভোগে পরিচালিত হইয়া থাকে। বাসনাকুলে বিরত হইয়া সত্য প্রতিষ্ঠার চঞ্চল হয়। কর্ম্মক্ষেত্রে সহিষ্ণুতাই সামর্থ্য প্রকৃতির উত্বৰ্তন করিয়া থাকে। প্রলোভনীয় পথে নানা উপসর্গ জুটিয়া চিত্তকে কলুষিত করিয়া লয়, তাহা হইতেই নানা উপায় অবলম্বন করিয়া জগতে অভাবগ্রস্থ হইয়া পড়ে। নানা পথে চালিত হইয়া, নানাগুণের তরঙ্ দ্বারা শান্তির

Vedvani – 45(P-I)

বিষ অমৃত একত্রিত হলে ভগবানের প্রেমের লক্ষণ- বেদবাণী। ” ব্রজবধূর কৃষ্ণভক্তি প্রেমের তরঙ্গে চঞ্চলই আকর্ষণ করিয়া থাকে এবং বিষ অমৃত একত্র হইয়া ভগবৎ সেবায় পূর্ণ শক্তিমান হয় বলিয়া শান্তির অভাব থাকিয়াই যায়। শান্তি হয না। ইহাই ভগবানের প্রেমের লক্ষণ জানিবেন। যেখানে শান্তির তরঙ্গ উদয় আছে সেখানে সমতাভাব হয় মাত্র কিন্তু প্রেমের অভাব থাকিয়া যায়। অতএব

Vedvani – 44 (P-I)

আপন ইষ্ট সেবায় লক্ষ্য – ১/৪৪ বেদবাণী।  “সংসার মায়াময়, ভ্রান্তিসূচক, সুখ দুঃখ প্রকাশক। সর্ব্বদা প্রারব্ধ গতির বিরোধী না হইয়া তাহাদের সেবা পরিচর্য্যার বাধা না দিয়া, কেবল ভগবানের সেবা নিষ্ঠায় যত্নবান হইতে চেষ্টা করিবেন। বাসনাদি যাহা রজগুণের তরঙ্গ তাহারা সকলই উদয় অস্ত হইবে। তাহাদের তাড়না জালের প্রতি লক্ষ্য না রাখিয়া আপন ইষ্ট সেবায় লক্ষ্য রাখিয়া যাইবেন।

Vedvani 42 to 45 (P-I)

গুরুর আদেশকর্ম্ম পালনে যত্নশীল-১/৪২ বেদবাণী। “প্রারব্ধ বশে আটক পড়িয়া যাহা করিতে বাধ্য হইবে তাহাতেই মধ্যস্থ থাকিতে চেষ্টা রাখিয়া গুরুর আদেশকর্ম্ম  পালনে যত্নশীল হইতে চেষ্টা করিবেন৷ এই প্রকার করিতে করিতে ভগবানের শক্তি পূর্ণরূপে অধিষ্ঠান হইয়া নিত্যসেবার অধিকারী ভাবে দেহবৈগুণ্য পরিহারে সমর্থ হইতে পারিবেন৷ ভগবান সিদ্ধ অসিদ্ধ, ভাল মন্দ বিচারের অতীত, অতএব সর্ব্বদা গুরুপদ আশ্রয়ে সাধ্যানুসারে পরিচর্য্যা

Vedvani 40 & 41 (P-I)

প্রাক্তন দন্ড ভোগ – ১/৪০ বেদবাণী। “প্রাক্তন দন্ড যথাযথানুসারে ভোগের অতিক্ৰম করা জীবের পক্ষে ক্ষমতা নাই।” –  ১/৪০ বেদবাণী। শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর। শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর মাত্র একটি বাক্যের মাধ্যমে কি বোঝাতে চাইছেন তা উপলব্ধিব উপর বিশ্লেষণ নিম্নে প্রদত হল:- প্রাক্তন বলতে ভাগ্যকে বোঝায়। পূর্ব জন্মের কর্মফল স্বরূপ বর্তমানেও তা ভোগ করতে হয়। একেই

Vedvani 38 & 39 (P-I)

পতিব্রত ধর্ম্ম পালনই স্বতঃসিদ্ধ কর্ত্তব্য – ১/৩৮ বেদবাণী। ” নিজ শক্তি বলের অভাব জীবের স্বতঃসিদ্ধ। কর্ত্তা হইয়া যে কোন যজ্ঞ করিতে হয় তাহা শিবহীন জানিবেন। ভূতাদি দ্বারা যজ্ঞ ভ্রষ্ট করিয়া থাকে। অতএব পতিব্রত ধর্ম্ম পালনই জীবের স্বতঃসিদ্ধ কর্ত্তব্য।” – ১/৩৮ বেদবাণী। শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর। উপরোক্ত শ্রী শ্রী রাম ঠাকুরের উপদেশ বাণীর তাৎপর্য্য উপলব্ধির উপর

Vedvani 36 & 37(P-I)

সংসারে আশ্রয় – ১/৩৬ বেদবাণী। ” এই সংসারে আশ্রয় পাইলে মুক্তির অভাব থাকে না। যথাসাধ্য কর্ম্মে সাধ্য সাধন করিয়াই গুরু কৃপার দ্বীপন হইয়া থাকে। উপাদান ভেদে শরীর গঠিত অনুসারে স্বভাব পায়, তৎদ্বারা ক্রীড়া কর্ম্ম চলিয়া থাকে। ইহার নিবৃত্তির জন্যই আশ্ৰয় প্রয়োজন হইয়া থাকে। স্বভাব অনুসারে গুরোপদিষ্ট কার্য্য যথাসাধ্য করিবেন।” – ১/৩৬ বেদবাণী। শ্রী শ্রী রাম